 |
| অতীতে ছিল , আজও আছে |
বাংলা শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির এক বড় উদ্দীপনা শক্তি—বাঙালির আড্ডা’—বলেছেন সাহিত্যে নোবেলজয়ী প্রখ্যাত জার্মান ঔপন্যাসিক গুন্টার গ্রাস।তাঁর মতে—‘আড্ডা প্রতিভা বিকাশের সহায়ক’।
'সাহিত্যের সন্ধানে'-এর ব্লগ-এ এমন 'বাঙালির আড্ডা'-নিয়ে লেখার সুযোগ হাতছাড়া করি কেমন করে !
আমার মনে হয় এক চূড়ান্ত স্ট্রেস-রিলিভারের কাজ করে এই 'আড্ডা' শব্দটি নিজেই। একটা মজার কথা কী জানেন, আমি আমার সময়ে ক্যাসেট থেকে শুরু করে পেন-ড্রাইভ, ব্লু-টুথ, মেমরি-কার্ড ; অর্থাৎ এ্যাডভান্সড-টেকনোলজির প্রায় সবক'টি 'সময়'-কেই পেয়েছি। তাই যখন আমাকে এই 'আড্ডা'-নিয়ে লিখতে বসলাম , তখনই ক্যাসেটের ফিতে জড়ানোর ছবিটি কিন্তু ভেসে উঠলো! ভেসে উঠলো আরও কত-কী! এমন 'অতিমারী-সময়' যখন আমাদের গোগ্রাসে গিলছে; ঠিক এরকম একটা অস্থির-দমবন্ধ করা অবস্থায় লিখতে বসেছি শুধু 'আড্ডা'নয়; 'বাঙালির আড্ডা'-নিয়ে। ক্রমশ জড়িয়ে যাচ্ছে ক্যাসেটের ফিতে...ক্রমশ নস্টালজিয়া ঘিরে ধরছে। হ্যাঁ, বাবার কথা, মায়ের কথা এবং আরও আরও। ধমনীতে আজও বাজে, বেজেই চলে 'কফি হাউজের সেই আড্ডাটা..'
আসলে, সেই 'মহাভারত'-এর সময় থেকে 'আড্ডা' জমজমাট। মনে পড়ছে আপনাদের সৌতির কথা? আমি না, ব্যাসদেবের মহাভারত সে-কথাই বলে এসেছে। চায়ের দোকান থেকে 'আগোরা', শীতের দুপুরের সবুজ ঘাসে বিছোনো শতরঞ্চি...উদাসী ছাদ থেকে হেরিটেজ বাড়ির ধুলোমাখা সিঁড়ি ছুঁয়ে থাকা রক... রাঙা'দার দোকান থেকে আলবার্ট-হল কিংবা বাড়ির বৈঠক-খানা অথবা অফ-পিরিয়ড কিংবা ক্লাস শেষের শীতের দুপুর কাজ সেরে রোদ্দুর জড়ানো বেলা বা ক্যাফে 'দ্য ম্যাগো'...সব-সবখানে লেগে আছে আড্ডা; বাঙালির আড্ডা। খুব নিবিড়; খুব প্রাণের এই আড্ডা।
খুব মনে পড়ছে ছোটোবেলার কথা! ওই তখন থেকেই এই 'আড্ডা'-শব্দটির সাথে আমার পরিচয়। হ্যাঁ, আমি ঘর থেকেই ঘরের বাইরের আড্ডায় বরং আসি। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ। লাইনের ( রেললাইনের সরল রেখা দু'ভাগে ভাগ করেছে শহরটিকে) ওপারে বিবেকানন্দ মোড় পার করে আরও বেশ কিছুটা এগিয়ে রাস্তার ডানদিকে 'রাঙা'দার' দোকান। আসলে, বাবার-মায়ের, তাঁদের বন্ধুদের 'রাঙা'দা', তাই ওঁকে 'জেঠু' বলাটাই দস্তুর হলেও, ডাকতাম ওই 'রাঙা'দা' বলেই। সবার উনি রাঙা'দা, আমারও। রাধারমণ জেঠু কী অবলীলায় এমনই সকলের বুকের খুব কাছে ছিলেন। টেইলারিং-শপ ছিল। কিন্তু বিভিন্ন পার্বণে বাবা এবং তাঁর সব বন্ধুরা এবং তাঁদের পরিবারের ওটাই ছিল আড্ডা। সম-অসম অনেক বন্ধুত্ব উপভোগ করতাম, হয়তো আনমনেই! মনহীন ছিল না, সেই সময়টা! খুব ছোটো ছিলাম তো! জয়ন্ত কাকু যখন রায়পুর থেকে আসতেন, আমার জন্য কত ক্যাডবেরি আসতো। ওখানেই পেতাম।
আর একটি সান্ধ্য-আড্ডার কথা বলি, পড়ার মাঝে হঠাৎ যখন আমার প্রিয় ভিডিও আংকল আসতেন আর বলতেন পার্থ ঘোষ আর গৌরী ঘোষের কর্ণকুন্তী সংবাদ-এর ক্যাসেট চালাতে বলতেন; তখন আমি কিছুতেই এই কবিতাটি শেষ করতে দিতাম না। সবাই যখন আড্ডা-গল্পে মশগুল, তখন আমি বারবার রি-ওয়াইন্ড মোডে নিয়ে যেতাম, যাতে তিনি আরও কিছুক্ষণ বসেন আর তারচেয়েও বড়ো কথা যেটা, তা হল আমার পড়াটা যেন সেদিনের মতো ইতি হয়; ডাহা ফাঁকিবাজ হলে যা-হয় আর-কী! বারবার ধরা পড়তাম, আর বারবার সেই পুনরূপী ভুল...আসলে, ওদের বিভিন্ন বিষয়ের কথাবার্তা আসলে গোগ্রাসে গিলতাম! কিন্তু ওটাও যে একটা অনুচ্চারিত আড্ডা-ই ছিল; তা বোঝার বয়স হয়নি বা বলা ভালো ম্যাচিওরিটিই আসেনি! এরকমই অনেক কথা! আসলে, আড্ডা মানেই এক-একটা তীব্র সঞ্চয়! তুমুল বিনিময়। বাঙালির রোজের আড্ডাই কি শুধু? সারাবছর ধরে চলে এই আড্ডা বৈশাখের প্রথম দিন থেকে সমস্ত বাঙালি পা-রেখে আড্ডার যাওয়ায়!
আড্ডার কথা বললেই সক্রেটিসকে মনে পড়ে। যতই হোক-না বিষয় 'বাঙালির আড্ডা'... যিনি আড্ডার ছলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেন শিক্ষা, তাঁর দর্শন, জীবনবোধ। ক্লান্তিহীন এই পথ চলায় আড্ডাবাজরা চিরকালীন জয়ী! মেটাফিজিক্যাল দাবি নয়, আড্ডা এবং বাঙালি যেন 'আমি তোমারও সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ সুরের বাঁধনে...' আসলে, সুরটাই আসল। অনুরণনটাই সব।
তবে একটা কথা কী, আড্ডা নির্মল ও নির্ভেজাল আনন্দের বিষয়। আড্ডা দিয়ে শুধু সময়ই কাটানো হয় না, আড্ডা থেকে অনেক সময় অনেক কিছু জানা যায়, শেখাও যায়। সহজ কথায় আড্ডা বলতে খোশ-গল্প, কথা-বার্তা, গপ্প-সপ্প ইত্যাদি বোঝায়। আড্ডা সরাসরি কারো বিরুদ্ধে হয় না এবং আপাতঃ দৃষ্টিতে এতে কারো কোনো ক্ষতি হওয়ারও কথা নয়। জ্ঞান-বিজ্ঞানের কথা থেকে শুরু করে ভ্রমণ বর্ণনা, রোমাঞ্চ, প্রেম, দেশ, ভাষা, ধর্ম, রাজনীতি, অর্থনীতি, চলচ্চিত্র, সমসাময়িক প্রসঙ্গ, সমাজ, শিল্প-সাহিত্য-সঙ্গীত এর যে কোনো কিছুই হতে পারে আড্ডার উপাদান। সিরিয়াস এবং হালকা বিষয় সবই আলোচিত হয় আড্ডার আসরে। কেউ কেউ আবার সিরিয়াস কথাকে হালকাভাবে রসিয়ে রসিয়ে আকর্ষণীয় করে আড্ডায় উপস্থাপন করতে পারে। এমনও লোক আছে যারা কৌতুক এবং চুটকি বলে আড্ডাকে জমিয়ে রাখে। বর্ষায় হোক বা শীতে বাঙালির একান্ত ঘরোয়া আড্ডায় মুড়িমাখা, সাথে সিঙারা বা রকমারি তেলেভাজাকে মধ্যমণি করে ঘিরে গোল হয়ে বসাও এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
বাঙালির আড্ডা সব সময় যে নির্ভেজাল এবং নির্মল থাকে তেমনটি কিন্তু নয়। আড্ডা দিতে গিয়ে এবং আড্ডায় রঙ্গ-তামাশা করতে গিয়ে বাঙালি অহরহ ঝামেলার মধ্যেও পড়ে। অনেক সময় মজা করতে গিয়েও অনেক আড্ডাবাজ নিজের অজান্তেই বন্ধু-বান্ধব কিংবা আত্মীয়-স্বজনদের মনোকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ান এবং দীর্ঘ দিনের খুব ভালো সম্পর্কতেও আঁচড় ধরে। এমনকি নষ্ট হয়েও যেতে পারে। এছাড়া বিশেষ করে ধর্ম এবং রাজনীতি বিষয়ে আড্ডা দিতে গিয়ে অনেককে প্রায়ই বিড়ম্বনার মধ্যেও পড়তে দেখা যায়। এ রকম অবস্থায় উত্যক্ত হয়ে তির্যক-বাক্যালাপ ,
কথা কাটাকাটি,এমনকি গালাগালি, হাতাহাতি, মারামারিও ঘটে যাওয়ার দৃষ্টান্ত কম নয়। সেজন্য আড্ডার যেমন ভাল দিক আছে তেমনই আছে আড্ডার খারাপ দিকও।
তারপরও, আড্ডার সদর্থক ভূমিকা কিছুতেই অস্বীকার করা যায় না। বাঙালির প্রাণভোমরা।
গবেষণা বলছে, বন্ধুদের সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডাই আপনার জিয়নকাঠি।
লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিকসের একটা রিপোর্ট বলছে, রোগ সারাতে আড্ডার জুড়ি নেই। পারিবারিক আড্ডার চেয়ে বন্ধুমহলে আড্ডা অনেক ভাল। কারণ বন্ধুরাই পারে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দিতে। মন ভাল থাকলে ভাল থাকবে শরীর। অতএব আপনার আড্ডা মারা নিয়ে ফ্যামিলি যতই গাঁইগুঁই করুক না কেন, ঠেকবাজি চালিয়ে যেতেই পারেন। লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিকসের সমীক্ষা রিপোর্টে এমনই দাবি। কীসের ভিত্তিতে এত বড় কথা বলছে তারা?
তিন বছর ধরে স্মার্টফোনের ডাটা সংগ্রহ করে আড্ডার মাহাত্ম্য উপলব্ধি করেছে লন্ডনের নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। হ্যাপিনেস মাপতে তৈরি করা হয়েছে HAPPINESS APP। নির্দিষ্ট সময় অন্তর এই অ্যাপ অ্যালার্ট দিতে থাকে। জানতে চায় সময়ে সময়ে কে কতটা সুখী? কতটা আরামে? মুড যখন ভাল, তখন তাঁরা কী করছেন এবং কাদের সঙ্গে রয়েছেন?
৫০ হাজার মানুষ HAPPINESS APP ডাউনলোড করেন। ৩০ লক্ষ উত্তর উঠে আসে তাঁদের কাছ থেকে। HAPPINESS APP এর সমীক্ষায় যা উঠে এসেছে, তা হল এই রকম,
মন ভাল করতে কে কত ভাল?
বন্ধুরা খুশি রাখতে পারে ৮.২ শতাংশ - সবচেয়ে বেশি। সেখানে জীবনসঙ্গী (স্বামী অথবা স্ত্রী) খুশি রাখতে পারে ৫.৯ শতাংশ। অন্যান্য পরিবার ২.৯ শতাংশ। সন্তান-সন্ততি তারও পেছনে - ১.৪ শতাংশ। অর্থাত্ মুড ভাল করতে পরিবারের চেয়ে বন্ধুরাই বেশি চোস্ত।
স্ট্রেসফুল আর টেনশনে ঠাসা লাইফে মানুষ কার সান্নিধ্যে সবচেয়ে বেশি খুশি? এটাই দেখতে চেয়েছিলেন গবেষকরা। আর সেখানে ফ্যামিলিকে পিছনে ফেলে জিতে যাচ্ছে ফ্রেন্ডস।
আপাতত; করোনা দিনে অনলাইন-আড্ডা... অথবা সত্তরের শুরুর দিকে কলেজ স্ট্রিট কফি হাউজে কবি-সাহিত্যিকদের তুখোড় আড্ডা অথবা কাচের গ্লাসের গায়ে বিন্দু-বিন্দু ঘাম নিয়ে প্রিয় কাছের কোনও বন্ধুর সাথে আড্ডা...সবটাই ওই 'বিউটি বোর্ডিং'-এর মতো.. হয়তো সোনালি বিকেলগুলো ততটা সোনালি নেই; হয়তো ১৯৭১এর ওপার বাংলা থেকে আসা কবি সাহিত্যিক থেকে শুরু করে প্রতিদিন ক্যান্টিনের চায়ের কাপের সাথে আড্ডার ঝড় তুলতেন নির্মলেন্দু গুণ, শহীদ কাদরী, আলাউদ্দিন আল আজাদ, শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ, নির্মলেন্দু গুণ ও শামসুল হকের মতো প্রখ্যাত কবিরা। আরো আসতেন সমুদ্র গুপ্ত, ফজল শাহাবুদ্দিন, ফয়েজ আহমদ ও সন্তোষ গুপ্তের মতো সাংবাদিকরা। আসতেন কৌতুক অভিনেতা ভানু বন্দোপাধ্যায়ও। এছাড়াও সত্য সাহা, কলাম লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরী, ভাস্কর নিতুন কুণ্ড, জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, টিভি ব্যক্তিত্ব ফজলে লোহানী, শিল্পী দেবদাস চক্রবর্তী, চিত্রশিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীসহ অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির আড্ডার স্থান ছিল এই বিউটি বোর্ডিং। এ তো গেল ঢাকার কথা।
আর 'বুধ সন্ধ্যা', মনে পড়ে? এপারের কোন লেখক-কবি-সাহিত্যিক নেই এতে! মূলত সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, সমরেশ বসু, সাগরময় দত্ত-র যৌথ উদ্যোগে এই আড্ডার লক্ষ্যেই 'বুধ সন্ধ্যা'...
এই আড্ডায় ছিলেন না কে? শঙ্খ ঘোষ, সুবোধ সরকার, মল্লিকা সেনগুপ্ত, জয় গোস্বামী, আবুল বাশার, আফসার আহমেদ, তারাপদ রায়, অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়, মন্দাক্রান্তা সেনের মতো বিখ্যাত সাহিত্যিকরা এ আড্ডার নিয়মিত সদস্য ছিলেন। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশের বেলাল চৌধুরী, রফিক আজাদ, অসীম সাহা, নির্মলেন্দু গুণ, মহাদেব সাহা, সৈয়দ আল ফারুক, তারিক সুজাতসহ বাংলাদেশের অনেক কবি-সাহিত্যিকের আনাগোনা ছিল এই আড্ডায়। প্রসঙ্গক্রমে বলা যেতে পারে ; সত্যজিৎ রায়েরঅনবদ্য চলচ্চিত্র ‘পথের পাঁচালি’র ভাবনাও এই আড্ডা থেকেই শুরু।
আমরা তাঁর 'আগন্তুক' ছবিতেও বাঙালির আড্ডা-যাপনকে পাই।
আড্ডা বাঙালি মননের একটা অনিবার্য-চাহিদা। বলা যায় এক নিবিড় আকুতি যা আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখে কী অনায়াসে!
যাইহোক, লেখাপড়া-র সুবাদে যে-সাহিত্য আড্ডার শুরুটা হয়েছিল কালিয়াগঞ্জের শ্রীমতি নদীপাড়ের সাহিত্য-আড্ডায়...তা আজ নিয়মিত ইসলামপুর রোববারের সাহিত্য আড্ডা থেকে চা-বাগানের রিসর্ট থেকে প্রবীর'দা-চিত্রা'দির আড্ডা; কালিনী,একমুঠো রোদ থেকে সেতু-সৃজনী-পর্যাস-অফিসার্স ক্লাব-আইসিডিএফ-উত্তরা-গোল্লাছুট ইচ্ছেবাড়ি হয়ে আড্ডাগলি হয়ে এখন ডুয়ার্স-এর মূর্তির পাড়ে...
শুনেছি, আড্ডাঘরের কথাও; যদিও যাবার সৌভাগ্য হয়নি এখনও!
পরিশেষে, এই আড্ডার ইতি টানি বুদ্ধদেব বসুর উচ্চারণ দিয়েই
"বাঙালির আড্ডার মেজাজ নেই অন্য কোনো দেশে, কিংবা থাকলেও যথোচিত পরিবেশ নেই। অন্যান্য দেশের লোক বক্তৃতা দেয়, রসিকতা করে, তর্ক চালায়, ফূর্তি করে রাত কাটিয়ে দেয়, কিন্তু আড্ডা দেয় না। আমাদের ঋতুগুলো যেমন কবিতা জাগায়, তেমনই আড্ডাও জমায়। আমাদের চৈত্রসন্ধ্যা, বর্ষার সন্ধ্যা, শরতের জ্যোৎস্না-ঢালা রাত্রি, শীতের মধুর উজ্জ্বল সকাল- সবই আড্ডার নীরব ঘণ্টা বাজিয়ে যায়, কেউ শুনতে পায়, কেউ পায় না।'
ঋণ-স্বীকার-
●সাহিত্যিক বুবুন চট্টোপাধ্যায়
●লীনা চাকী সম্পাদিত 'বাঙালির আড্ডা'
●কলকাতার আড্ডা-সমরেন্দ্র দাস সম্পাদিত।
◆অন্তর্জাল
 |
| ছবি - মনোনীতা চক্রবর্তী |
সাহিত্যের সন্ধানে'র সাপ্তাহিক ব্লগ প্রতিবেদন
কৌশিক দে (সম্পাদক )
অমৃতা রায় চৌধুরী, সম্রাট দে , অসীম দাস ( সহ সম্পাদক মন্ডলী )